Thursday, June 28, 2012

গনতন্ত্রে মানষকন্যা সু চি নাকি এর ভেতরে অন্য কেউ।


এক দিকে রাখাইন প্রদেশে হিংসার আগুনে স্বদেশ জ্বলছে আর আরেক দিকে শান্তির জন্য পাওয়া নোবেল প্রেইজ নিচ্ছেন তথাকথিত গণতন্ত্রী নেত্রী অউন সান সূ চি। নোবেল প্রাইজ নেওয়ার জন্য গণতন্ত্রে প্রচারক ইউরোপী কয়েকটি দেশে তিনি ঘুরছেন আরো ঘুরবেন। সু চি তার নোবেল পুরস্কার নেয়ার প্রক্কালে বলেছেন যে, তার দেশে আজ শন্তি বইছেনা। তাই তার শন্তিু পুরস্কার গ্রহণ করতে আনন্দ লাগছেনা।  তার জীবনের অনেক ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে একটি ছাড়া । ১৯৬৪ সালে সু চি নয়া দিল্লীর লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে রাজনীতিতে বি এ ডিগ্রি লাভ করেন। সেই সময় সু চির মা দিল্লীতে ভারত ও নেপালে বার্মার রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর পর স ুচি পড়াশোনার জন্য অক্সফোর্ডে চলে জান। সেখানে পড়াশোনা বিষয় ছিল দর্শন, রাজনীতি ও অথনীতি। অক্সফোর্ডে পড়ার সময় এক সহপাঠি পাকিস্তানি যার নাম তারিক হায়দার এর সাথে প্রেমে জড়িয়ে পরে, তাদের প্রেমের স্থায়ীত্ব ছিল কয়েক বছর, কিন্তু তার মা এবং আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব এই প্রেমকে গ্রহণ করতে পারেনি। পারিবারিক চাপে সূ চি ইংল্যান্ড ছেড়ে আমেরিকায় পারি জমান সেখানে তার পরিচয় হয় তার প্রায়ত স্বামী মাইকেল আরিশ এর সঙ্গে। এবং প্রণয় এবং আবশেষে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
যারা সু চি কে গনতন্ত্রে মানষকন্যা হিশোবে দেখতে চান কিংবা দেখছেন তাদের জন্য হয়তো সূখময় কোন সংবাদের ফেরি হবেন না এটা নিশ্চিত। সূ চি বার্মার গণতন্ত্রকে এনজিও আলোকে দেখতে চান এবং তাকে সেই রূপেই দেখানো হয়েছে তাই তার প্রধান কাজ হলো সাহায্য জড়ো করা। র্বামার মানুষের গনতন্ত্রিক অধিকার, মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়া, আর্থসামাজিক উন্নয়নে কৌশল প্রণয়ন জাতিগত দাঙ্গা, রোহিঙ্গা সমস্যা এই সব মূখ্য নয়। তার মূল কাজ হলো নিবাচনের জন্য টাকা জোগার করা, নির্বাচনে জয়ী হলে এই দানের প্রতিদানের ওয়াদা করা। সূ চি কে বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা নানান প্রশ্ন করেছেন তার মধ্যে  অন্যতম প্রশ্ন হচ্ছে এমন “আজ আপনার দশেরে একটি প্রদশেরে হাজার হাজার লোক গৃহহারা। আপনি কনে তাদরে পাশে নইে?  সু চি তার জবাবে বলেছিলেন দেশে শাষণ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনাটা জুরুরী, রাখাইনদের সমস্যা জরুরী এখনই সমাধান করা সম্ভব না। তার কথা শুনে বাংলাদেশের মানুষরা ক্ষেপতে পারেন কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে রাখাইন জাতির এহেন র্দূভোগ তার কাছে বেদনার বিষয় নয় কারণ রাখাইনরা তো ভোটার নয়, ভোটের রাজনীতিতে রাখাইনরা উপেক্ষিত।  

No comments:

Post a Comment